About Team

সাইফ আল ইসলাম

চেয়ারম্যান ও পথপ্রদর্শক | সৃজনশীল লিমিটেড
“নেতৃত্ব জন্মায় হৃদয়ের গভীর থেকে, স্বপ্ন ছড়িয়ে পড়ে হাজারো শিশুর চোখে।”
পরিচিতি :
সাইফ আল ইসলাম — চট্টগ্রামের প্রাণবন্ত পরিবেশে বেড়ে ওঠা সাইফ আল ইসলাম একজন উদ্যমী উদ্যোক্তা, যিনি প্রযুক্তি, মার্কেটিং এবং শিশু শিক্ষার সফল সমন্বয় ঘটিয়েছেন। নেতৃত্ব, দূরদৃষ্টি ও স্বপ্নের আগুন তাঁর প্রতিটি কাজে স্পষ্ট।
আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা | ফ্রিল্যান্সিং ক্যারিয়ার :
২০১৮-২০২২ সালে Fiverr ও Upwork-এ টপ রেটেড ফ্রিল্যান্সার হিসেবে ২৫০+ আন্তর্জাতিক ক্লায়েন্টের সাথে কাজ করেছেন (যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া, মধ্যপ্রাচ্য)। প্রধান দক্ষতা :
  • ডিজিটাল মার্কেটিং
  • ব্র্যান্ডিং স্ট্র্যাটেজি
  • কনটেন্ট প্ল্যানিং
  • মিডিয়া প্ল্যানিং ও বাইং স্ট্র্যাটেজি
  • ক্লায়েন্ট রিলেশনশিপ ম্যানেজমেন্ট
  • ডাটা অ্যানালাইসিস ও রিপোর্টিং
  • টিম লিডারশিপ ও ট্রেইনিং
   
উল্লেখযোগ্য স্বীকৃতি :
  • ছাত্রজীবনেই তাঁর কৌশলগত মেধা ও নেতৃত্বের দক্ষতা এতটাই উজ্জ্বল হয়ে ওঠে যে, তৎকালীন প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক তাঁকে “চট্টগ্রাম বিভাগের সেরা ডিজিটাল মার্কেটার” সম্মাননায় ভূষিত করেন। এটি ছিল তাঁর অভিজাত দক্ষতার প্রথম রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি।
  • ডিজিটাল মার্কেটিংয়ের গুরুত্ব উপলব্ধি করে তিনি বিনামূল্যে স্কিল শেখানোর উদ্যোগ নেন এবং প্রায় ১০০+ শিক্ষার্থীকে হাতে-কলমে প্রশিক্ষণ দেন, যাতে তারা নতুন দৃষ্টিভঙ্গিতে ক্যারিয়ার গড়তে পারে।
শিশুদের জন্য অবদান :
  ২০২০ সাল থেকে শিশুদের অ্যাক্টিভিটি বইয়ের প্রচারে অনন্য স্ট্র্যাটেজি প্রয়োগ করেন, যার মাধ্যমে ১ লক্ষ+ পরিবারের কাছে বই পৌঁছেছে এবং তৈরি হয়েছে একটি বিশ্বাসভিত্তিক কমিউনিটি।
বর্তমান উদ্যোগ :
কিডভাইভ-এ প্রাক্তন সহ-প্রতিষ্ঠাতা এবং ডিরেক্টর অফ মিডিয়া বায়ার হিসেবে কাজ করার অভিজ্ঞতা অর্জনের পর, তিনি প্রতিষ্ঠা করেন “সৃজনশীল লিমিটেড”—একটি প্রতিষ্ঠান, যা শিশুদের শিক্ষা, আনন্দ ও সৃজনশীলতা ছড়িয়ে দিতে নিরলস কাজ করছে।
মিশন :
“শিশুরা যেন শেখে আনন্দ নিয়ে, বড় হয় আত্মবিশ্বাস নিয়ে, এবং ভাবতে শেখে সৃজনশীলতার চোখে—এই স্বপ্নই তাঁর প্রতিটি পদক্ষেপের প্রেরণা।”

মোঃ লুৎফর রহমান

ম্যানেজিং ডিরেক্টর ও স্বপ্নদ্রষ্টা | সৃজনশীল লিমিটেড


“নেতৃত্ব জন্ম নেয় হৃদয়ের গভীর থেকে, স্বপ্ন ছড়িয়ে পড়ে হাজারো শিশুর চোখে।”

পরিচিতি:ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির কম্পিউটার প্রকৌশল বিভাগের প্রথাগত গণ্ডির বাইরে চিন্তা করা ছাত্র মোঃ লুৎফর রহমান, শৈশব থেকেই ছিলেন একজন অদম্য ডানপিটে স্বভাবের উদ্যোক্তা ও দূরদর্শী নেতা। তার এই নেতৃত্বগুণের স্ফূরণ ঘটেছিল শিক্ষা জীবনেই, যখন তিনি গুগল ডেভেলপার গ্রুপ বাংলা টিমের সক্রিয় সদস্য হিসেবে বাংলাকে বিশ্ব দরবারে সমৃদ্ধ করতে কাজ করেছেন। তার এই যাত্রার প্রতিটি ধাপে ছিল নতুন কিছু সৃষ্টির তাড়না এবং প্রচলিত ধারণাকে চ্যালেঞ্জ করার সাহস।
আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা ও বৈশ্বিক বাজারে সাফল্য
লুৎফর রহমান শুধু দেশের গণ্ডিতেই তার প্রতিভার ছাপ রাখেননি, বরং আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও তার দক্ষতা প্রমাণ করেছেন। প্রায় আড়াই বছর ধরে তিনি বাংলাদেশ থেকে পরিচালিত একটি ড্রপশিপিং কোম্পানির জন্য আমেরিকান ই-কমার্সে মার্কেটিং কন্টেন্ট তৈরি করেছেন। তার অসাধারণ সৃজনশীলতা ও কৌশলগত কন্টেন্টের কারণে আমেরিকান বিভিন্ন উৎসবকে কেন্দ্র করে ঐ প্রজেক্টের বিক্রি অনেক বেড়ে গিয়েছিল। তার কাজের ফলস্বরূপ, আনুমানিক ১৫-১৭% বিক্রয় বৃদ্ধি পেয়ে পুরো প্রকল্পটি লক্ষ লক্ষ ডলারের এক সফল উদ্যোগ হিসেবে পরিণত হয়েছিল।
শিক্ষাজীবনের অবদান ও পেশাগত দক্ষতা
পড়াশোনার পাশাপাশি তিনি তার ব্যতিক্রমী দক্ষতার প্রমাণ দিয়েছেন। ২০১৭ সালে তিনি শেখ রাসেল ডিজিটাল ল্যাব প্রকল্পের অধীনে সারা দেশের হাইস্কুলের আইসিটি শিক্ষকদের বেসিক কম্পিউটার প্রশিক্ষণ দিয়েছেন। মাইক্রোসফট বাংলাদেশে ইন্টার্নশিপের অভিজ্ঞতা এবং বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে গ্রাফিক্স ডিজাইনার ও প্রোডাক্ট ডেভেলপার হিসেবে কাজ করার পর তিনি শিশুদের শিক্ষাকে একটি নতুন মাত্রা দেওয়ার স্বপ্ন দেখেন। পেশাদার জীবনের এক পর্যায়ে তিনি ফ্যাশন শিল্পেও তার সৃজনশীলতার পরিচয় দেন। প্রথাগত ডিজাইনের বাইরে গিয়ে দুই বছরেরও বেশি সময় ধরে কাজ করে তিনি এই খাতে সফলতার দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। এরপর তিনি শিশুদের শিক্ষাকেই তার মূল লক্ষ্য হিসেবে বেছে নেন।
প্রধান দক্ষতা:
লুৎফর তার ব্যতিক্রমী দক্ষতার জন্য পরিচিত। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো:
  • প্রোডাক্ট ডিজাইন ও ডেভেলপমেন্ট: শিশুদের জন্য আকর্ষণীয় ও শিক্ষামূলক পণ্য তৈরি।
  • সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্ট: প্রযুক্তিগত সমাধানের মাধ্যমে শিক্ষার মান উন্নয়ন।
  • টিম লিডারশিপ ও ট্রেইনিং: দক্ষ দল গঠন ও তাদের পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধি।
  • ব্র্যান্ডিং স্ট্র্যাটেজি: সৃজনশীল ও কার্যকরী ব্র্যান্ড পরিচিতি তৈরি।
  • কনটেন্ট প্ল্যানিং: শিক্ষামূলক ও মজার কনটেন্ট পরিকল্পনা।
  • ডাটা অ্যানালাইসিস ও রিপোর্টিং: ডেটা বিশ্লেষণ করে পণ্যের মান উন্নয়ন ও কৌশল প্রণয়ন।
উল্লেখযোগ্য মানবিক উদ্যোগ
পেশাগত সাফল্যের পাশাপাশি লুৎফর রহমানের মানবিক দিকটিও অত্যন্ত উজ্জ্বল। তিনি প্রায় ৩০ জনেরও বেশি শিক্ষার্থীকে বিনামূল্যে হাতে-কলমে প্রশিক্ষণ দিয়েছেন, যাতে তারা নতুন দৃষ্টিভঙ্গিতে নিজেদের ক্যারিয়ার গড়তে পারে। এই প্রশিক্ষণে ইউটিউব থেকে আয়, গ্রাফিক্স ডিজাইন এবং ভিডিও কন্টেন্ট তৈরির মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত ছিল, যা তাঁদের স্বাবলম্বী হওয়ার পথ খুলে দিয়েছে।
শিশুদের জন্য অবদান ও বর্তমান উদ্যোগ
তিনিই বাংলাদেশের প্রথম ডিজাইনার যিনি শিশুদের জন্য উন্নত মানের অ্যাক্টিভিটি বই ডিজাইন করেন। ২০২০ সাল থেকে তিনি এই খাতে কাজ করে চলেছেন এবং এ পর্যন্ত প্রায় ২৫টি শিশুশিক্ষা বই তৈরি করেছেন, যার মার্কেট ভ্যালু প্রায় ৩০ কোটি টাকা। তার ডিজাইন করা বইগুলো প্রায় ১ লক্ষ পরিবারের কাছে পৌঁছেছে এবং প্রায় শতভাগ ইতিবাচক সাড়া পেয়েছে। কিডভাইভ-এ প্রাক্তন সহ-প্রতিষ্ঠাতা এবং ডিরেক্টর অফ প্রোডাক্ট ডিজাইন হিসেবে কাজের অভিজ্ঞতাকে পুঁজি করে তিনি এখন সৃজনশীল লিমিটেড-এর মতো একটি প্রতিষ্ঠানের নেতৃত্ব দিচ্ছেন। এই প্রতিষ্ঠানটি শিশুদের শিক্ষা, আনন্দ এবং সৃজনশীলতাকে সবার মাঝে ছড়িয়ে দিতে নিরলসভাবে কাজ করে চলেছে।
ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা ও সামাজিক অঙ্গীকার
লুৎফর রহমান মনে করেন, সমাজে অনেক প্রতিভাবান মানুষ রয়েছেন, যাদের কাছে শিশুদের উন্নত মানের শিক্ষা নিয়ে অসাধারণ সব ভাবনা আছে, কিন্তু প্রয়োজনীয় সহযোগিতা ও প্ল্যাটফর্মের অভাবে তাঁরা সেগুলোকে বাস্তবে রূপ দিতে পারেন না। সৃজনশীল লিমিটেড এমন প্রতিভাবান মানুষদের সবসময় স্বাগত জানাতে প্রস্তুত। তিনি বিশ্বাস করেন, কারোর একজনের উদ্যোগের কারণে যদি শিশুরা আরও ভালো কিছু শেখে, তবে তা পুরো সমাজেরই লাভ। তাঁর স্বপ্ন কেবল মুনাফা অর্জন নয়, বরং একটি সামাজিক পরিবর্তন আনা। তিনি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করেন, সরকারি, বেসরকারি বা আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর সহযোগিতা পেলে তিনি শিশুদের জন্য ব্যয়বহুল শিক্ষাকে সাধারণ মানুষের হাতের নাগালে নিয়ে আসতে পারবেন। তাঁর লক্ষ্য, দেশের প্রতিটি প্রান্তে, সব শ্রেণীর মানুষের কাছে উন্নত শিক্ষাপদ্ধতি সহজলভ্য করা এবং গ্রামীণ সমাজের পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর জন্য প্রতি বছর কোনো না কোনো পরিকল্পনা রাখা। ইনশাআল্লাহ, তাঁর এই প্রচেষ্টা সফল হলে সৃজনশীল লিমিটেড শিক্ষা ও সমতার প্রতীক হিসেবে দাঁড়াবে এবং বাংলাদেশের প্রতিটি পরিবারের পাশে থাকবে।
মিশন:
“শিশুরা যেন শেখে আনন্দ নিয়ে, বড় হয় আত্মবিশ্বাস নিয়ে, এবং ভাবতে শেখে সৃজনশীলতার চোখে—এই স্বপ্নই তাঁর প্রতিটি পদক্ষেপের প্রেরণা।”
0
    0
    Your Cart
    Your cart is emptyReturn to Shop